Home বাংলা নিউজ আগামী মার্চ-এপ্রিলে বিজিএমইএ নির্বাচন

আগামী মার্চ-এপ্রিলে বিজিএমইএ নির্বাচন

তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএ’র নির্বাচন আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিল সময়ে। তবে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে তোড়জোর। এবার তিনটি প্যানেলে ভাগ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন প্রার্থীরা। যদিও নির্বাচন এড়িয়ে সমঝোতার মাধ্যমে পর্ষদ গঠনেরও নজির আছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা বলছেন, বিদ্যমান বাস্তবতায় ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই শিল্পকে এগিয়ে নিতে হবে। তৈরি পোশাক শিল্প, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের বড় অবদান এ খাতের। তবে বৈশ্বিক করোনা মহামারি সম্প্রতি এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে পোশাক শিল্পখাতকে। এমন পরিস্থিতিতে বিজিএমইএ’র আগামী নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত সম্ভাব্য প্রার্থীরা। চলছে প্যানেল গঠনের প্রক্রিয়াও। ইতিমধ্যে প্যানেল লিডার হিসেবে সংগঠনটির সাবেক সহ-সভাপতি ও জায়েন্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক হাসানের নাম ঘোষণা করেছে সম্মিলিত পরিষদ। আগামী নির্বাচনে জয়ী হলে জবাবদিহিতামূলক বিজিএমইএ গঠনের প্রতিশ্রুতি ফারুক হাসানের। আর যারা করোনা মোকাবেলা করে এই শিল্প খাতকে এগিয়ে নিতে পারবেন, তাদেরকেই নেতৃত্বে আনার আহ্বান পরিষদের আরেক নেতার। বিজিএমইএ’র সাবেক সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নাছির বলেন, সবকিছু ঠিক রেখে যেন বিজিএমই পরিচালিত হয়, বিজিএমই’র স্বার্থ অক্ষুণ্ন থাকে, বিজিএমইকে নিয়ে যেন কেউ অনেক খারাপ মন্তব্য করতে না পারে, বিজিএমই’র ইমেজটা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেরকম নেতৃত্ব আমরা সিলেক্ট করবো। বিজিএমইএ’র সাবেক প্রথম সহ-সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, সবাই নির্বাচনের পরে কথা বলেছে। একটা ব্যালেন্স টিম করতে হবে, যে টিমটা আগামীতে এই শিল্পকে কিভাবে টেকসই করা যায়, আমাদের যে ইমেজের সমস্যা আছে, ব্র্যান্ডিংয়ের সমস্যা আছে সেই কাজগুলো নিয়ে কাজ করবে। এদিকে, নির্বাচন বা সমঝোতা যাই হোক, যোগ্য ব্যক্তিদের দিয়ে পর্ষদ গঠনের পক্ষে আরেক প্যানেল ফোরাম। ফোরামের মহাসচিব আসিফ ইব্রাহিম বলেন, সেক্টরের স্বার্থ নিয়ে যারা কাজ করতে পারবে তাদেরকে যেন আমরা নিয়ে আসতে পারি। সেটা নির্বাচনের মাধ্যমে হোক কিংবা সমঝোতায় হোক। বিজিএমইএ সহ-সভাপতি এমএ রহিম বলেন, আমরা নির্বাচনে যাচ্ছি, সে লক্ষ্যে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করছি খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমাদের ফুল প্যানেলটা ঘোষণা করতে পারবো। তবে সবঝোতার ভিত্তিতে পর্ষদ গঠনে আপত্তি নতুন প্যানেল স্বাধীনতা পরিষদের। সরাসরি নির্বাচন চান তারা।  স্বাধীনতা পরিষদের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, যারা অপেক্ষাকৃত দুর্বল থাকে তারা চিন্তা করে ভোটাররা তো ভোট দিবে না, তাই আপোসে একটা প্যানেল নির্বাচন করা। সেটা যাতে না হয় আমরা এ ব্যাপারে বরাবরই সোচ্চার ছিলাম। আমাদের স্বাধীনতা পরিষদের জন্মটাই হয়েছে বিজিএমইতে নির্বাচনটা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। নেতৃত্বে যারাই আসুক, পোশাক শিল্পের উন্নয়নে সব পক্ষই একযোগে কাজ করবে বলে প্রত্যাশা উদ্যোক্তাদের।   

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here